সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
  অহংকার মোচন কৃষ্ণনগর(আগরতলা) নিবাসী শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্র কুমার দেববর্মা মহাশয় প্রথম জীবনে বিলোনীয়ায় ত্রিপুরার রাজার নায়েব ছিলেন। কার্যোপলক্ষে তাঁকে বিলোনীয়ায় থাকতে হতো। ঐ সময় তিনি মাঝে মাঝে শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ীতে শ্রীশ্রী রামঠাকুরকে দেখতে যেতেন। একদিন শুনলেন যে শ্রীশ্রী রামঠাকুর শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ী হতে পাল্কী যোগে রেল স্টেশনে যাবেন। তিনি স্থির করলেন যে তিনি পাল্কীর পেছনের দিকে একা বহন করবেন। যেহেতু তিনি যুবক এবং শক্তিমান। আর সামনের দিকে দু'জন বহন করবে। এই সিদ্ধান্তই বাস্তবে কার্যকরী হল। যথাসময়ে পাল্কী চলতে আরম্ভ করল। শ্রীশ্রী রামঠাকুর একাই ঐ পাল্কীতে বসে আছেন। কিন্তু দেখা গেল যে পাল্কীর পেছনের দিক এত ভারী বোধ হল যেন তাঁর কোমর ভেঙ্গে যাবে। তিনি লজ্জায় বলতে সাহস পেলেন না। হঠাত তাঁর মনে হলো তাঁর শারীরিক শক্তির অহংকার ত্যাগ করে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কৃপা প্রার্থনা করা প্রয়োজন। পরে তাই করলেন। দেখা গেল যে পেছনের দিক শোলার মতো হালকা বোধ হল। ফলে আরামে রেল স্টেশনে পৌঁছে গেলেন। শ্রীশ্রী রামঠাকুর তাঁর শরনাগতের অহংকার মোচন করেন। ভগবান প্রাপ্তিতে অহংকার বির...

বাসনাই বন্ধনের কারণ” | শ্রী শ্রী রামঠাকুরের করুণাময় লীলা অমৃত (পর্ব–৪৮)

 

🎥 ভিডিও শিরোনাম (Title)

“বাসনাই বন্ধনের কারণ” | শ্রী শ্রী রামঠাকুরের করুণাময় লীলা অমৃত (পর্ব–৪৮)


⚡ হুক (Hook – প্রথম 5–7 সেকেন্ড)

👉 একজন আজীবন নিষ্ঠাবান বৈষ্ণব…
👉 শেষ বয়সে একটিমাত্র ডিম!
👉 শ্রী শ্রী রামঠাকুর কেন ভাঙালেন তাঁর আজীবনের ব্রত?
এই লীলার গভীরে লুকিয়ে আছে মুক্তির চাবিকাঠি।


🎙️ ইন্ট্রো (Intro)

জয় রাম 🙏
আজকের এই লীলা অমৃত আমাদের শেখায়—
সংসার নয়, বাসনাই বন্ধন
শ্রী শ্রী রামঠাকুরের এক অপূর্ব করুণাময় লীলা শুনে
আপনিও নিজের অন্তরকে চিনে নিতে পারবেন।


📖 মেইন স্ক্রিপ্ট (Main Script – সংক্ষেপে বর্ণনাভিত্তিক)

স্বর্গীয় বীরেন রায়ের মনে এক প্রবল বাসনা জাগল—
ঠাকুর মহাশয়কে একবার নিজের দেশের বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার।
পিতামাতার বহুদিনের আকাঙ্ক্ষাও ছিল ঠাকুর দর্শনের।

ঠাকুর মহাশয় করুণায় সেই বাসনা পূর্ণ করলেন।
পথ চলতে চলতেই এক আশ্চর্য ঘটনা ঘটল—
ঠাকুর মহাশয় এমন এক পথে হাঁটলেন,
যে পথে গন্তব্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।

শেষ পর্যন্ত তাঁরা পৌঁছলেন
এক পরম নিষ্ঠাবান বৈষ্ণব আচার্যের কুটীরে—
যিনি মৃত্যুশয্যায় শায়িত।

ঠাকুর মহাশয় তাঁর শিয়রে বসতেই
রোগে জর্জর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল।

হঠাৎ ঠাকুর মহাশয়ের নির্দেশ—
“একটি ডিম সিদ্ধ করে আনো।”

ঘরে নেমে এলো স্তব্ধতা।
আজীবন মাধুকরী-ব্রত পালনকারী বৈষ্ণবের ঘরে ডিম!

কিন্তু আচার্য বললেন—
“ঠাকুর যা বলেন, তাই কর।”

ঠাকুর মহাশয় নিজ হাতে
সেই ডিম আচার্যকে খাওয়ালেন।
তারপর আশ্বস্ত করলেন—
“তোমার ভয় নেই। তুমি ভালো হবে।”


🧠 ব্যাখ্যা ও শিক্ষা (Explanation / Education)

এই লীলার গভীরে আছে এক গভীর তত্ত্ব—

🔹 আচার্য মহাশয়ের জীবনে কোনো লোভ, কামনা ছিল না
🔹 কিন্তু মনের গভীরে লুকিয়ে ছিল
একটি অতি সূক্ষ্ম বাসনা—ডিম খাওয়ার ইচ্ছা

ঠাকুর মহাশয় জানতেন—
👉 গোপন বাসনাও বন্ধনের কারণ
👉 অপূর্ণ বাসনাই জন্ম-মৃত্যুর কারণ

করুণায় তিনি সেই শেষ বাসনাটুকু
নির্মূল করে দিলেন।

🪔 শ্রী শ্রী রামঠাকুরের বাণী—

“বাসনাই বন্ধনের কারণ।
ভাল-মন্দ কোনো বাসনাই করবে না।”


🌼 জীবনের জন্য বার্তা

✔ সংসার থাকবেই
✔ কর্ম থাকবেই
❌ কিন্তু বাসনা রাখলে বন্ধন
✔ বাসনাশূন্য কর্মেই মুক্তি


🙏 উপসংহার (Closing)

এই লীলা আমাদের শেখায়—
মুক্তি বাইরে নয়, নিজের মনের ভেতরেই


🔔 সাবস্ক্রিপশন রিকোয়েস্ট (Subscription Request)

যদি এই ভিডিওটি আপনার মনে স্পর্শ করে থাকে—

👉 লাইক করুন
👉 শেয়ার করুন
👉 সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের চ্যানেল
👉 পাশে থাকা বেল আইকনটি চাপতে ভুলবেন না

শ্রী শ্রী রামঠাকুরের লীলা অমৃত নিয়মিত পেতে।

জয় রাম 🙏
জয় রাম 🙏
জয় রাম 🙏

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড

  বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড, (১)নং পত্রাংশ। শ্রীশ্রী রামঠাকুর।  (১) স্বত:সিদ্ধ কাম পূর্ণ করিয়া সত্যনাথের অধীন হইয়া থাকিতে অভ্যাস করুন।  ন কর্ত্তৃত্বং ন কর্ম্মাণি লোকস্য সৃজতি প্রভু:।  ন কর্ম্ম ফলসংযোগ স্বভাবস্তু প্রবর্ত্ততে। ।  শ্রুতি বাক্য। স্ব স্ব ভাগ্যই ফল জন্মাইয়া থাকেন তাহা ছাড়া অন্য কাহারো ভাগ্য ফল দেবার ক্ষমতা নাই। যাহা হউক, আপনি সত্যের অংশে সকল ভার রাখি[য়া] সঙ্করের ঋণ সকল পরিশোধ করিতে যত্নবানের অভ্যাস করিতে থাকুন, সত্যই সকল ব্যবস্থা করিবেন।  ভাগ্যগতিকেই লোকে দেহ সমাজ স্বজন বন্ধুবান্ধব স্ত্রী পুত্রাদি এবং স্থানাদি লাভ করিয়া থাকে। যখন যাহা লোকের সংঘটন ঘটিয়া থাকে তাহার কর্ত্তা ভাগ্যই জানিবেন। স ভাগ্য ছাড়িয়া পরের ভাগ্যের অধীনে গেলে কালচক্রের অন্তের [?] অধীন হইয়া পড়িতে হয় জানিবেন।  বাড়ীঘর যেখানে হইবার হইবে-তাহা ভাগ্য অর্থাৎ ভগবানই বিধান করেন তাহার চিন্তা বৃথা। (ভাগ্যং ফলতি সর্ব্বত্র)সত্যনারায়ণকে ভুলিবেন না। watch Now বেদবাণী তৃতীয় খণ্ড, (২) নং পত্রাংশ। শ্রীশ্রী রামঠাকুর।   উৎ (আলোকে) সব (থাকা) দুই সখীগণে উৎসব...

"সর্ব্বতোভাবে সকল অবস্থায়ই সহিষ্ণুতার সঙ্গ করিতে চেষ্টা করিবেন।"

  📿 🌼 বেদবাণী (৯৭) | শ্রীশ্রী রামঠাকুর 🌼 "সর্ব্বতোভাবে সকল অবস্থায়ই সহিষ্ণুতার সঙ্গ করিতে চেষ্টা করিবেন।" সংসারের আবর্ত্তন নৃত্য সচরাচরে ভ্রমণ করিয়া থাকে। ইহাদের তরঙ্গ উল্লাসের বেগ যত সহ্য করিতে পারে, ততই ভগবৎ-শক্তিতে শান্তির শান্তিরথ খুলিয়া পড়ে। 🌊 সহিষ্ণুতা - এই একটি গুণই জীবনের সমস্ত ঝড় সামাল দিতে শেখায়। 🕊️ শান্তির পথ শুরু হয় সহ্য ও সংযম থেকে। 🙏 জয়গুরু | জয় ঠাকুর | জয় ভগবতী শক্তি 📌 Description (পোস্টের নিচে ব্যবহারযোগ্য) যে হৃদয়ে সহিষ্ণুতা, সেখানে ভগবানের শান্তি স্বয়ং এসে প্রবেশ করেন। ঠাকুর বলেছিলেন – সংসারের ঝড়, আনন্দ-বেদনার ঢেউ, সবকিছুই সহ্য করাই ঈশ্বর-প্রাপ্তির প্রথম ধাপ। আজকের দিনটিকে করুন ঠাকুরের ভাবনায় শুরু… 🔖 Hashtags
🌼 বেদবাণী (মূল উদ্ধৃতি) “সত্য = স্থায়ী (অক্ষর), অসত্য = অস্থায়ী (ক্ষর)। উপাধিতে আকৃষ্ট হইয়া লোক সমস্ত প্রকৃতিগত মন হইতে এই দ্বন্দ্ববিভাগের দাস হইয়া জন্ম-মৃত্যু-জরার দ্বারা বন্দী হইয়া পড়ে। যিনি গুণাতীত পরম ব্রহ্ম—যাঁহার জন্ম, মৃত্যু, জরা নাই—তাঁহাকে ভুলিয়া যায়। অতএব সর্বদা সত্যের ব্রত করিবেন। তিনি সর্ব্বকলুষময় ঋণদায় হইতে উদ্ধার করিয়া নিবেন। যাহা হউক, স্ব স্ব অধিকারের দাবী-দাওয়া না করিয়া সর্ব্বতোভাবে কর্ত্তব্য পালনে যত্নশীল হউন।” — শ্রী শ্রী রামঠাকুর বেদবাণী, ২য় খণ্ড (২৬) 🪔 সহজ ব্যাখ্যা (Explanation) 🔹 সত্য ও অসত্য ঠাকুর বলছেন— সত্য চিরস্থায়ী, অক্ষয়। অসত্য ক্ষণস্থায়ী, নশ্বর। 🔹 উপাধির মোহ নাম, পদ, অর্থ, মান-অপমান— এই সব উপাধিতে আসক্ত হয়েই মানুষ মন দিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। এই দ্বন্দ্বই জন্ম দেয় জন্ম–মৃত্যু–জরার বন্ধন। 🔹 পরম সত্যকে বিস্মরণ এই মোহের কারণেই মানুষ ভুলে যায় সেই গুণাতীত পরম ব্রহ্মকে— যাঁর কোনো জন্ম নেই, মৃত্যু নেই, জরা নেই। 🔹 উদ্ধারের পথ ঠাকুর নির্দেশ দিচ্ছেন— 👉 সর্বদা সত্যের ব্রত গ্রহণ করো 👉 অধিকার দাবি নয়, কর্তব্য পালন করো 👉 ফল বা প্র...