সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে
  অহংকার মোচন কৃষ্ণনগর(আগরতলা) নিবাসী শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্র কুমার দেববর্মা মহাশয় প্রথম জীবনে বিলোনীয়ায় ত্রিপুরার রাজার নায়েব ছিলেন। কার্যোপলক্ষে তাঁকে বিলোনীয়ায় থাকতে হতো। ঐ সময় তিনি মাঝে মাঝে শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ীতে শ্রীশ্রী রামঠাকুরকে দেখতে যেতেন। একদিন শুনলেন যে শ্রীশ্রী রামঠাকুর শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ী হতে পাল্কী যোগে রেল স্টেশনে যাবেন। তিনি স্থির করলেন যে তিনি পাল্কীর পেছনের দিকে একা বহন করবেন। যেহেতু তিনি যুবক এবং শক্তিমান। আর সামনের দিকে দু'জন বহন করবে। এই সিদ্ধান্তই বাস্তবে কার্যকরী হল। যথাসময়ে পাল্কী চলতে আরম্ভ করল। শ্রীশ্রী রামঠাকুর একাই ঐ পাল্কীতে বসে আছেন। কিন্তু দেখা গেল যে পাল্কীর পেছনের দিক এত ভারী বোধ হল যেন তাঁর কোমর ভেঙ্গে যাবে। তিনি লজ্জায় বলতে সাহস পেলেন না। হঠাত তাঁর মনে হলো তাঁর শারীরিক শক্তির অহংকার ত্যাগ করে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কৃপা প্রার্থনা করা প্রয়োজন। পরে তাই করলেন। দেখা গেল যে পেছনের দিক শোলার মতো হালকা বোধ হল। ফলে আরামে রেল স্টেশনে পৌঁছে গেলেন। শ্রীশ্রী রামঠাকুর তাঁর শরনাগতের অহংকার মোচন করেন। ভগবান প্রাপ্তিতে অহংকার বির...
  অহংকার মোচন কৃষ্ণনগর(আগরতলা) নিবাসী শ্রীযুক্ত সুরেন্দ্র কুমার দেববর্মা মহাশয় প্রথম জীবনে বিলোনীয়ায় ত্রিপুরার রাজার নায়েব ছিলেন। কার্যোপলক্ষে তাঁকে বিলোনীয়ায় থাকতে হতো। ঐ সময় তিনি মাঝে মাঝে শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ীতে শ্রীশ্রী রামঠাকুরকে দেখতে যেতেন। একদিন শুনলেন যে শ্রীশ্রী রামঠাকুর শ্রীযুক্ত ফনীন্দ্র মালাকার মহাশয়ের বাড়ী হতে পাল্কী যোগে রেল স্টেশনে যাবেন। তিনি স্থির করলেন যে তিনি পাল্কীর পেছনের দিকে একা বহন করবেন। যেহেতু তিনি যুবক এবং শক্তিমান। আর সামনের দিকে দু'জন বহন করবে। এই সিদ্ধান্তই বাস্তবে কার্যকরী হল। যথাসময়ে পাল্কী চলতে আরম্ভ করল। শ্রীশ্রী রামঠাকুর একাই ঐ পাল্কীতে বসে আছেন। কিন্তু দেখা গেল যে পাল্কীর পেছনের দিক এত ভারী বোধ হল যেন তাঁর কোমর ভেঙ্গে যাবে। তিনি লজ্জায় বলতে সাহস পেলেন না। হঠাত তাঁর মনে হলো তাঁর শারীরিক শক্তির অহংকার ত্যাগ করে শ্রীশ্রী রামঠাকুরের কৃপা প্রার্থনা করা প্রয়োজন। পরে তাই করলেন। দেখা গেল যে পেছনের দিক শোলার মতো হালকা বোধ হল। ফলে আরামে রেল স্টেশনে পৌঁছে গেলেন। শ্রীশ্রী রামঠাকুর তাঁর শরনাগতের অহংকার মোচন করেন। ভগবান প্রাপ্তিতে অহংকার বির...

নাম করলেই কি ভাগ্য বদলায়? — শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বেদবাণীর গভীর রহস্য”

  নাম করলেই কি ভাগ্য বদলায়? — শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বেদবাণীর গভীর রহস্য” 🎙️ Main Script (মূল বক্তব্য) আজ আমরা আলোচনা করবো শ্রীশ্রী রামঠাকুরের বেদবাণী তৃতীয় খণ্ডের (১৪৬) নং পত্রাংশের গভীর শিক্ষা। ঠাকুর বলেছেন— “নাম মন্ত্রাদির কাছে সর্ব্বদা থাকাই নাম করা বলে, নামের কোন বিধি বিধান নাই।” অর্থাৎ, নাম জপ শুধু নির্দিষ্ট সময়ের সাধনা নয়। নাম মানে সর্বদা ভগবানের সান্নিধ্যে থাকার চেষ্টা করা। তিনি আরও বলেছেন— “গীতা অধ্যয়ন মানে সত্যের প্রকাশে থাকার চেষ্টা করা।” অর্থাৎ গীতা শুধু পড়ার বই নয়, গীতার আসল উদ্দেশ্য হলো সত্যের পথে জীবনকে পরিচালিত করা। ঠাকুর স্পষ্ট বলেছেন— “নাম আর ভগবানের কোন পার্থক্য নাই।” যখন কেউ আন্তরিকভাবে নাম করে, তখন সে সরাসরি ভগবানের সঙ্গেই যুক্ত হয়ে যায়। তাই তিনি উপদেশ দিয়েছেন— কোন চিন্তা না করে ধৈর্য ধরে সর্বদা সত্যনারায়ণের নিকটে থাকার চেষ্টা করতে। কারণ তিনি ছাড়া মানুষের ভাগ্য, ঋণ বা দুঃখ মুক্ত করার ক্ষমতা আর কারও নেই। আরও একটি গভীর শিক্ষা দিয়েছেন ঠাকুর— যে যেই কাজ বা ব্যবসা করে, সেই কাজে সন্তুষ্ট হয়ে যতটুকু লাভ হয় তাতেই সংসার চালানোর চেষ্টা করা উচিত। কা...